কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ০১:০৬ PM
কন্টেন্ট: পাতা
প্রবাস স্কিমবিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক মাসিক জমার অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় বা বাংলাদেশে তিনি যে ব্যাংক একাউন্টে রেমিটেন্স প্রেরণ করেন, সে একাউন্ট হতে জমা প্রদান করে এ স্কিমে অংশ নিতে পারবেন। পেনশন স্কিমের মেয়াদ শেষে দেশীয় মুদ্রায় পেনশন দেওয়া হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে পাসপোর্টের তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন।


বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী বা উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক নির্দিষ্ট হারে জমা প্রদানপূর্বক এ স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীগণের জন্য এ স্কিমে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে স্কিমের জমার ৫০% কর্মী এবং বাকী ৫০% প্রতিষ্ঠান প্রদান করবে। কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণ না করলেও, উক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোন কর্মচারী নিজ উদ্যোগে এককভাবে এ স্কিমে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।


সুরক্ষা স্কিম
অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা স্বকর্মে নিয়োজিত ব্যক্তি যেমন: কৃষক, রিক্সাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতিসহ সকল অনানুষ্ঠানিক কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ নির্ধারিত হারে জমা প্রদানপূর্বক এ স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।


বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রকাশিত আয় সীমার ভিত্তিতে দারিদ্র্য সীমার নীচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের ব্যক্তিগণ [যাদের বর্তমান আয় সীমা বাৎসরিক অনুর্ধ্ব ৬০(ষাট) হাজার টাকা] নির্দিষ্ট হারে জমা প্রদানপূর্বক এ স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এ স্কিমে সরকার কর্তৃক সম পরিমান অর্থ অনুদান হিসেবে দেয়া হবে।
